এবার মোবাইল ফোনের কারণে প্রাণ যাবে লাখো মানুষের। সবাই সতর্ক থাকুন।

মোবাইল ফোন কেরে নিতে পারে আপনার জীবন, আপনি কি জানেন ?

মোবাইল ফোন আপনার জীবন কেরে নিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে মানুষ দিন দিন যেভাবে মোবাইল বা টেকনোলজি প্রিয় হয়ে উঠছে তাতে, এমন সময় চলে এসেছে যে, মোবাইল ফোনের কারণে যাবে লাখ লাখ মানুষের প্রাণ। করোনা (কভিড-19) ভাইরাসের কারণে মানুষ গৃহবন্দী হওয়াতে দিন-রাতের বেশিরভাগ সময় মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। আপনি এই খবরটির সত্যতা নিজেই যাচাই করতে পারেন।

আপনার কি ঘুম হয় না অথবা আপনার কি মাত্রা অতিরিক্ত ঘুম হচ্ছে ? আপনার শরীর কি দিন দিন প্রচন্ডভাবে দুর্বল হচ্ছে ? আপনার কি খাবারে অরুচি? আপনার কি শরীরে ব্যথা বা হাত পায়ে ব্যথা অনুভব হচ্ছে? আপনার হাত পা চাবানোর সমস্যা হচ্ছে? আপনি কি ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছেন? শরীরে অস্বাভাবিক কোনো কিছু দেখা দিলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার শরীরে কোন ধরনের ইফেক্ট পড়েছে সুতরাং আমাদের এখনই সতর্ক হতে হবে। শরীরের খুব বেশি ক্ষতি করছে এমন জিনিস থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। 

মোবাইল ফোন আপনার কীভাবে ক্ষতি করছে ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোন গুলোতে রেডিয়েশন বা ফ্রিকোয়েন্সি এত পরিমাণে বেশি থাকে যে মানব দেহের প্রতিটা অর্গান কে নাড়া দিয়ে দেয়, ফলে আপনি সুস্থ্যতা থেকে অস্বাভাবিক একটা শারীরিক অনুভূতি অনুভব করেন। বেশিরভাগ সময় যায়  মানুষ স্মার্টফোন অস্বাভাবিক ব্যবহার করে কাটায়, যেমন প্রতিটি স্মার্টফোনের একটা গাইডলাইন থাকে, সবসময় শরীরে অথবা বুক পকেটে, বালিশের নিচে, মাথার কাছে, স্মার্টফোন রাখা যাবে না। মোবাইলের দিকে দীর্ঘসময় একাধারে তাকিয়ে থাকা যাবে না, সেটা ব্রাইটনেস যত কমই থাকনা কেন।

চার্জিং অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার তো দূরের কথা কাছেও রাখা ঠিক নয়, কেননা চার্জিং অবস্থায় মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন অনেক বেশি বেড়ে যায় তাই এটা ব্রেইন বা শরীরে অনেক ক্ষতি করে, ইয়ারফোন ব্যবহার করলে কান এবং ব্রেন, চোখ উভয়ের ক্ষতি হয়। কথা বলার সময় যদি সম্ভব হয় লাউডস্পিকার দিয়ে মোবাইল সামনে রেখে কথা বলবেন। মোবাইল ফোন অস্বাভাবিক ব্যবহারে সব থেকে বেশি সমস্যা গুলো হলো, ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এবং শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, চোখে জ্বালাপোড়া করা চোখ দিয়ে পানি পড়া সুতরাং মোবাইল ফোন ব্যবহারে আমাদের সতর্ক হতে হবে, শারীরিক সুস্থতা বজায় রেখে মোবাইল ব্যবহার করতে হবে। 

প্রয়োজন ছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না। বাসায় থেকে হাটাহাটি করুন। সুস্থ্য স্বাভাবিক খাবার খাবেন। সবজি জাতীয় খাবার বেশি খান। ভাত খুব অল্প পরিমাণে খাওয়ার চেষ্টা করুন। বেশি সমস্যা হলে ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। সুস্থ্য থাকুন ভালো থাকুন।

ব্লকটি সম্পর্কে মন্তব্য থাকলে নিম্নে কমেন্ট করুন। অনলাইন পত্রিকার পাশে থাকার জন্য। ধন্যবাদ





প্রতিবেদন
আদনান হোসেন তরু।













কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.