করোনা ভাইরাসে বয়স্ক মানুষের পাশাপাশি বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা।

করোনাভাইরাসে বিশ্বে প্রায় ২ লাখ ১৭ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। চীন থেকে শুরু হওয়া এই ভাইরাসে চীনের প্রায় ৪ হাজারের অধিক মানুষ মারা গেছে। তাদের গবেষণা থেকে জানা যায় ৬০ বছরের উর্ধ্বের মানুষগুলো করোনা ঝুঁকিতে থাকে বেশি। মৃতের সংখ্যার প্রায় ৪০% ছিলো অনূর্ধ্ব-৬০ বছর বয়সের মানুষগুলো। অনেকের ধারণা ছিলো বেশি বয়স্কদেরই করোনা হয়। কারণ তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, দুর্বল শরীর এসবের জন্য।

তারপর এই করোনাভাইরাস পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ১৮৫ টির অধিক দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে। তারপর শিশু, যুবক সহ সব ধরণের মানুষই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে। জাপানের ১০৬ বছর বয়সী বৃদ্ধও করোনা হওয়ার পর সুস্থ হয়ে যায়। আবার শিশু, যুবক যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি তারাও করোনার আঘাতে মৃত্যুবরণ করছে। বাংলাদেশের করোনারোগী যুবকরাই বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, ২২ থেকে ৪০ বছর বয়সের মানুষগুলো প্রায় ৩৮ শতাংশ করোনা ঝুকিতে থাকে আর ৬০ এর চেয়ে বেশি বয়সী মানুষ ৪০ শতাংশ ঝুঁকিতে থাকতে পারে। আবার নারীর চেয়ে পুরুষেরা করোনার ঝুকিতে সবচেয়ে বেশি থাকে। বিশ্বের মোট মৃতের ৭০ ভাগ মানুষ পুরুষ। তাদের আক্রান্তের হারও বেশি। পুরুষদের বাহিরে যাতায়াত বেশি বলেই এমন আক্রান্তের হার বেশি বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি যুবক, মধ্যবয়সী মানুষরা। কিশোর, শিশু, বযস্ক মানুষও আক্রান্ত হচ্ছে। সুতরাং সব ধরণের বয়সের মানুষই এই করোনার আঘাতে মৃত্যুবরণ করতে পারে। আবার যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, দুর্বল শরীরের, মোটা মানুষ তাদের করোনার ঝুকি প্রবল। আমাদের সবার উচিত ভিটামিন- সি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া আর সকল ধরণের সতর্কতা অবলম্বন করা।

কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ছয় মাসের শিশুও করোনায় আক্রান্ত হয়ে আবার সুস্থ হয়ে ওঠে। বিষয়টা সকল চিকিৎসক মহলে অলৌকিক লেগেছে। ঠিকমতো নিজের যত্ন আর সতর্ক থাকলে করোনা থেকে অবশ্যই ভালো হওয়া সম্ভব। ভয় না পেয়ে আসুন আমরা সতর্ক হই।

এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে অনলাইন পত্রিকা র সাথে থাকুন। ধন্যবাদ। 

লেখাঃ নূরে আজম খান

কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.