গত তিনদিনে ৩ জন কিংবদন্তিকে হারালো পৃথিবী।

১. জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা, 
২. বিশ্বমানের অভিনেতা ইরফান খান, 
৩. ভারতীয় অভিনেতা ঋষি কাপুর। 

১. জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজাঃ- বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন আবার দেশের শ্রেষ্ঠ বেসরকারি ব্রাক ইউনিভার্সিটিতে উপাচার্য ছিলেন। তার জন্ম সিলেটে ১৯৪৩ সালে।  তিনি একুশে পদকসহ অনেক দেশ-বিদেশের পুরষ্কার লাভ করেন। তাকে দেশের সরকার "জাতীয় অধ্যাপক" হিসেবে ভূষিত করেন। তিনি বুয়েটেরও অধ্যাপক ছিলেন। 

জামিলুর রেজা দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর গত মঙ্গলবার ২৮ শে এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে পুরো দেশে নেমে আসে শোকের ছায়া। তার মতো শিক্ষাবিদ, প্রকৌশল, গবেষক বাংলাদেশে আরেকটি নেই বললেই চলে।

২. বিশ্বমানের অভিনেতা ইরফান খানঃ- সিনেমা, বিনোদন জগতে তাকে চেনে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। তিনি ভারতে জন্মগ্রহন করলেও একাধারে বাংলা, হিন্দি, ইংলিশ সিনেমাতে সমান পারদর্শী ছিলেন। সিনেমার সব শাখায় তার পদচারণা ছিলো অতুলনীয়।  তিনি ভারতের রাজস্থানে ১৯৬৭ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড, ভারতের পদ্মশ্রী পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরষ্কারে ভূষিত হন।

তারমতো বিশ্বমান অভিনেতাকে হারিয়ে পুরো ভারত তথা বিনোদন জগতে নেমে আসে শোকের ছায়া। পিকু, ডুব, লাইফ অব পাই এমন অসংখ্য সিনেমাতে তিনি অভিনয় করেছেন। গত বুধবার ২৯ শে এপ্রিল মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি মারা যায়। তিনি দীর্ঘদিন ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।  তার মৃত্যুর তিন দিন আগেই তার মা মারা যায়। এক শোক ভুলার আগেই আরেগ শোকে বিনোদন জগত কাতর।

৩. ভারতীয় অভিনেতা ঋষি কাপুরঃ- ভারতীয় চলচ্চিত্রের এক অভিজ্ঞ, উজ্জ্বল নাম ঋষি কাপুর।  তিনি প্রায় ৪০ বছর চলচ্চিত্রের সাথে কাটিয়ে দেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক রণবীর কাপুরের বাবা হলেন ঋষি কাপুর।  ইরফান খানের মতো তিনিও মুম্বাইয়ের হাসপাতালে মারা যান। তিনিও দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সার রোগে ভুগছিলেন।  তার জন্ম ১৯৫৮ সালের সেপ্টেম্বরে। ৩০শে এপ্রিল বৃহঃবার তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তারপরই পুরো ভারতের বিনোদন জগতে নেমে আসে শোকের ছায়া। 

এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে অনলাইন পত্রিকার সাথে থাকুন। ধন্যবাদ। 

লেখাঃ নূরে আজম খান

কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.