করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ থাকতে কি কি করা যায়।

সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা,
নিয়মিত সাবান দিয়ে (দৈনিক ৫/৭বার) হাত পরিষ্কার করা
সময়মত সুষম খাবার গ্রহন করা।এতে শরীরের খাদ্য ঘাটতি কমে যায়, দৈনন্দিন কাজের জন্য শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায়।

ভিটামিন "সি" জাতীয় খাবার খেতে হবে, এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
ত্বকের সমস্যা দুর করে, শরীরের ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়।

প্রচুর পরিমান পানি পান করা উচিত, তবে সরাসরি ঠান্ডা পানি পান না করা উত্তম। বাইরের গ্রম থেকে এসেই ঠান্ডা কিছু না খাওয়া ভালো।
এক্ষেত্রে উষ্ণ গরম পানি,  চা, কফি জাতীয় পানীয় খাওয়া উত্তম।

রোগ-জীবাণু বা ভাইরাস মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়  নাক-মুখ-চোখের তরল পদার্থের  মাধ্যমে, একবার হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ৩০০০ ড্রপলেট বা জলীয় কণা শরীর থেকে বাইরে বের হয়ে আসে, এর মধ্যে একটি ড্রপলেটই অন্য একজনকে আক্রান্ত  করতে পারে। 
তাই মাস্ক না থাকলে হাঁচি-কাশির সময় কনুই দিয়ে নাক-মুখ ঢাকতে হবে।
অবচেতন মনে নাক-মুখ-চোখ  স্পর্শ করা যাবে না।

বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরে যেতে হবে, একে অন্যের থেকে নিরাপদ দুরত্বে অবস্থান করতে হবে, একই স্থানে ভিড় বা জনসমাগম করা যাবে না।
বাড়িতে ঢুকে প্রথমেই সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত-মুখ পরিষ্কার করতে হবে, তারপর যে জামা-কাপড় পড়ে বাইরে যাওয়া হয়েছিল,  সেই কাপড় কমপক্ষে ১/২ঘন্টা ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। নিজেও সাবান-পানি দিয়ে ভালোভাবে গোসল করে ফেলতে হবে।

প্রয়োজনীয় কাজে পরিবারের যেকোনো একজন লোক বাড়ির বাইরে যাওয়া ভালো এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজ করতে হবে। 

বাজার থেকে কিনে আনা শাকসবজি ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আধাঘণ্টা ভিজিয়ে ধুয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

মাছ-ডিম-মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করতে হবে, কাচা বা অর্ধসিদ্ধ খাওয়া যাবে না। 

বাড়িতে যদি কারো হাঁচি-কাশি থাকে তাহলে তিনি পরিবারের অন্য সদস্যের থেকে নিরাপদ দুরত্ব মেনে চলবেন।

পরিবারের বাচ্চাদের সময় দিন, তাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার দিকে লক্ষ রাখুন, তাদেরকে গৃহস্থালির কাজের ফাকে ফাকে সময় দিন, তারা যেন একাকিত্ব না অনুভব করে।
বৃদ্ধ ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের যত্ন নিন, তারা যেন সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে

নিয়মিত ব্যবহার্য বস্তু জীবাণুনাশক স্প্রের মাধ্যমে পরিষ্কার করতে হবে।

ব্যাক্তিগত ফোনটিও নিয়মিত  জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

মানসিক সুস্থতা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে, সর্বাবস্থায় সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা রাখুন, আত্মবিশ্বাস রাখুন।

কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.