ফেসবুকে সোশ্যাল মিডিয়ায় চালু হলো নতুন এক কেয়ার রিয়াক্ট।


ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়া মানুষের জীবনে এক গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করছে। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ না খেয়ে না ঘুমিয়ে থাকতে পারলেও এখন ফেসবুক ছাড়া থাকতে পারেননা অনেকেই। ফেসবুক খুব দ্রুত মানুষের মন জয় করে ফেলেছে। মানুষের দূর্বল প্রয়োজন গুলো মিটিয়ে এখন ফেসবুক রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে টপ র‌্যাঙ্ক এ। ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব সহজে ভিডিও কল, অডিও কল রিয়েল টাইম মেসেন্জার চ্যাট করে যোগাযোগের মাধ্যম ঠিক রাখা যায়।যোগাযোগের জন্য ফেসবুক মাধ্যম এক উন্নত পন্থায় টিকিয়ে রেখেছে এই ফেসবুক। মানুষ তার দৈনন্দিন জীবনের সব কিছু ফেসবুকে শেয়ার করেন মানষের মধ্যে। মূুত্বের মধ্যে ছড়িয়ে যায় এই তথ্য গুলো। এসব তথ্য দেখে রয়েছে রিয়াক্ট দেয়ার ব্যবস্থা সাথে মন্তব্য ও করতে পারবেন।

 ফেসবুকে রিয়াক্ট গুলো আগে ছিলো 5 টি। প্রথম রিয়াক্টটি রিয়েছে, লাইক রিয়াক্ট, দিত্বীয় রিয়াক্টটি রয়েছে লাভ বা ভালোবাসা রিয়াক্ট, তৃতীয় রিয়াক্ট রয়েছে হাসির এবং চতুর্থ  টা রয়েছে কান্না বা দুঃখের আর সর্বশেষ রিয়েক্ট রয়েছে রাগের বা এঙ্করি রিয়েক্ট। কিন্তু ফেসবুক কিছূদিন আগে নতুন লন্স করেছে কেয়ার রিয়াক্ট বা যত্নের রিয়াক্ট। প্রথম অবস্থাতে এটি ফেসবুক বেটা ভারসন এ ব্যবহার করার অনুমতি দিয়ে ইনিইগ্রেট করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। গত পরসু সমস্ত ভারসনে ফেসবুক কেয়ার রিয়াক্টটি ইন্টিগ্রেট করেন। ফলে এখন প্রত্যেকেই ব্যবহার করছেন কেয়ার রিয়ক্টটি । হঠাৎ করে এই রিয়াক্টটি আসাতে কোনো গাইড দেয়নি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ যথারীতি মানুষ না বুঝে যেখানে কেয়ার রিয়াক্ট দেয়া যাবেরনা সেখঅনেও এটা ব্যবহার করছেন তারা। যেমন করনার মত মহামারী এর ভয়াবহ আক্রান্তের রিপোর্টে মানুষ কেয়ার রিয়াক্ট ব্যবহার করছেন।

 এমন টা বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। মানুষের বিপদে বা কোনো দুঃখজনক খবর বা সংবাদে স্যাড বা দুঃখের যে রিয়াক্ট রয়েছে তা ব্যবহার করার নিয়ম যথারীতি। কিন্তু মানুষ এসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করে কেয়ার রিয়াক্ট। অতি বিশ্লেষন করলে দেখা যায় এসব ঘটনা না বুঝে করে থাকে মানুষ। না বোঝার প্রধান কারণ হলো সর্বসাধারণ মানুষ এই ফেসবুক ব্যবহার করতে পারে। ফলে শিক্ষিত থেকে অশিক্ষিত সবাই এটা ব্যবহার করে বলে এর ভ্যালু এখন অন্যান্ন সোশ্যাল মিডিয়ার থেকে কমে গিয়েছে। একটু শিক্ষিত হলেই মানুষ ছুটে বেড়াচ্ছে ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, এবং লিঙ্কডইন ও জনপ্রিয় প্রিন্টারেস্ট সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে।

অনলাইন পত্রিকার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
কমেন্ট এ আপনার মন্তব্য জানান।

প্রতিবেদন
আদনান হোসেন

কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.