কিভাবে পেস বোলার থেকে উইকেট-রক্ষক হলেন মুশফিকুর রহিম।

বাংলাদেশের জাতীয় দলের ওপেনার তামিম ইকবাল খান এই অবসর সময়টা অনেক ভালো করে কাটাচ্ছেন। তিনি প্রায় প্রতিদিনই এক জন জাতীয় দলের খেলোয়াড় এর সাথে ইনস্টাগ্রামে লাইভে আসে। লাইভে এসে তিনি প্রত্যেকের দুঃখ কষ্ট ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে কথা বলে। মুশফিকুর রহিমের সাথে লাইভ চলাকালীন জানা যায় মুশফিক আগে পেস বোলিং করতেন।

কিছু দিন আগে মুশফিকুর রহিমকে স্পিন বল করার ভিডিও সোশাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল পুরো সোশাল মডিয়াতে। কিন্তু মুশফিকুর রহিম যখন যুব ছিলেন তখন তিনি ছিলেন একজন পেস বোলার। 

মুশফিকুর রহিম যখন অনূর্ধ্ব ১৫ দলের হয়ে খেলতো তখন তামিম ইকবাল মুশফিকুর রহিমের অধীনে খেলতো। তাই মুশফিকুর রহিম পেস বোলিং করতেন সেটা তামিম জানতেন। সেই কারণে তামিম মুশফিক এর লাইভে তামিম এই বিষয়টি তুলে ধরলে মুশফিক পুরো ঘটনাটি তুলে ধরেন।

মুশফিকুর রহিমের ইচ্ছা ছিল নিজের সবটুকু দিয়ে সে যেনো দলকে সাহায্য করতে পারে। এই কারণেই মুশফিক যখন যুব ছিলেন তখন পেস বোলিং করতেন। যখন তিনি ছোট ছিলেন তখন থেকেই সে পেস বোলিং ও ব্যাটিং করতেন। কারন সে সময়ে তার উচ্চতা ৪,৫ টা সাধারণ বালকদের মতোই ছিল। কিন্তু তিনি যখন বড়ো হতে থাকেন তার উচ্চতায় প্রভাব দেখা দিতে শুরু করে। মুশফিক যখন বিকেএসপি তে ভর্তি পরীক্ষা দেন সেখানে তিনি দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন তার সাথে বোলিং ও করেন। তখন বিকেএসপি এর নির্বাচকরা বলেন তার এই উচ্চতা নিয়ে পেস বোলিং করলে সে কিছু করতে পারবে না। তাই তারা তাকে পেস বোলিং করতে না করেন। এর কারণেই মুশফিক পেস বোলিং ছেড়ে দিয়েছেন।


পেস বোলিং ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি শুধু ব্যাটিং নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন। একদিন তাদের দলের উইকেট রক্ষক অসুস্থ্য হয়ে পড়ায় উইকেট রক্ষক এর অভাব হয়ে পরে। তখন দলের কেউ কিপিং করতে রাজি না হলে তিনি কিপিং করতে রাজি হয়ে কিছু ম্যাচ কিপিং করেন। আস্তে আস্তে কিপিং করতে তার ভালো লেগে যায় এবং তিনি কিপিং ও ব্যাটিং দুটি নিয়েই এগিয়ে যেতে থাকেন। তার জীবনের এত বড় ঘটনাটি তিনি নিজেই তামিমের সাথে লাইভে থাকা অবস্থায় সবাইকে জানায়।

লেখাঃ রাকিব হাসান

কোন মন্তব্য নেই

Write your comment here........

Blogger দ্বারা পরিচালিত.